ⓘ আন্তর্জাতিক আইন. সাধারণত আন্তর্জাতিক আইন বলতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের সমন্বয়ে সৃষ্ট আইন, যা এক রাষ্ট্র বা জাতির সাথে অন্য রাষ্ট্র বা জাতির সম্পর্ক নির্ধারণ করে। আন্ত ..

সিমা সমর

সিমা সমর হলেন একজন আফগান নারী ও মানবাধিকার আইনজীবী, সক্রিয়কর্মী এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামের সমাজকর্মী। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আফগানিস্তানের নারী বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি বর্তমানে আফগান স্বাধীনতা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সুদানের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ছিলেন। ২০১১ সালে তিনি নতুন প্রতিষ্ঠিত সত্য ও ন্যায়বিচার পার্টির অংশ ছিলেন। ২০১২ সালে, "বিশ্বের সবচেয়ে জটিল ও বিপজ্জনক অঞ্চলে, মানবাধিকার, বিশেষত নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর দীর্ঘকালীন এবং সাহসী আত্মোৎস ...

ফার্খুন্দা জাহরা নাদেরি

ফার্খুন্দা জাহরা নাদেরি হলেন একজন আফগান রাজনীতিবিদ। তিনি রাষ্ট্রপতি আশরাফ গনির জাতিসংঘ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। ২০১৬ সালে রাষ্ট্রপতির সমন জারির মাধ্যমে তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি এর আগে ২০১০ সালের আফগান সংসদীয় নির্বাচনের নির্বাচিত হয়েছিলেন ও ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনিই একমাত্র নারী প্রতিনিধি যিনি ২০১০ ও ২০১২ সালে প্যারিসে টানা তিনটি শ্যান্টিলি সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১২ সালের জুলাইতে, নাদেরিকে এন-শান্তি জাতিসংঘ উন্নয়ন প্রোগ্রাম পুরস্কার প্রদান করা হয়।

মরিয়ম দুরানি

মরিয়ম দুরানি হলেন একজন আফগান সক্রিয়কর্মী এবং নারী অধিকার বিষয়ক আইনজীবী। ২০১২ সালে তিনি আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার পেয়েছিলেন।

নিগহাত দাদ

নিগহাত দাদ হলেন একজন পাকিস্তানি আইনজীবী এবং ইন্টারনেট কর্মী। তিনি ডিজিটাল রাইটস ফাউন্ডেশন নামে একটি অলাভজনক সংস্থা পরিচালনা করেন। তথ্যপ্রযুক্তি সুরক্ষার ক্ষেত্রে তার কাজের জন্য অনেকগুলো জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরষ্কার অর্জন করেছেন।

মেহেদী হাসান রয়েল

মেহেদী হাসান রয়েল হলেন একজন বাংলাদেশী পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের পেশাদার ফুটবল লীগের শীর্ষ স্তর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি মূলত একজন কেন্দ্রীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেললেও মাঝেমধ্যে ডান পার্শ্বীয় আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলে থাকেন। বাংলাদেশী ফুটবল ক্লাব দিপালীর যুব পর্যায়ের হয়ে খেলার মাধ্যমে রয়েল ফুটবল জগতে প্রবেশ করেছেন এবং পরবর্তীকালে বিজেএমসি এবং বাড্ডার যুব দলের হয়ে খেলার মাধ্যমে তিনি ফুটবল খেলায় বিকশিত হয়েছেন। ২০১৭–১৮ মৌসুমে, বাংলাদেশী ক্লাব বি ...

জামিয়া মারকাজ

জামিয়া মারকাজ ভারতের কেরলের কালিকটে অবস্থিত একটি জাতীয় ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও এটি মারকাজু সাকাফতী সুন্নীয়া অথবা সুন্নি মারকাজ নামেও পরিচিত কোজিকোড শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার ৮.৭০ মা পূর্বে প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। ই. কে. আবুবকর মুসলিয়ার এবং কন্নিয়াথ আহমেদ মুসুলিয়র উপস্থিতিতে এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সৌদি ইসলামী চিন্তাবিদ মুহাম্মদ আলাভী আল মালিকি। দুবাইয়েরমারকাজ, দুবাই যাকে দুবাই মারকাজও বলা হয় ইসলামিক বিষয়াদি ও দাতব্য কার্যক্রম বিভাগের তত্ত্বাবধানে দুবাইয়ে মারকাজ একটি শাখা শুরু করে। যেখানে ইসলামিক বিভিন্ন বিষয়ে পাঠ দান করা হয়।

                                     

ⓘ আন্তর্জাতিক আইন

সাধারণত আন্তর্জাতিক আইন বলতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের সমন্বয়ে সৃষ্ট আইন, যা এক রাষ্ট্র বা জাতির সাথে অন্য রাষ্ট্র বা জাতির সম্পর্ক নির্ধারণ করে। আন্তর্জাতিক আইন কোন একক রাষ্ট্রের সৃষ্টি নয়। এ আইন বিভিন্ন রাষ্ট্রের ঐকমত্য ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় এবং তা প্রত্যেক রাষ্ট্রের নিজস্ব স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অন্য রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সৃষ্ট। প্রত্যেক রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন শ্রদ্ধার সাথে মেনে চলতে দায়বদ্ধ। প্রধানত দুই বা ততোধিক রাষ্ট্রের স্বার্থে সৃষ্ট সন্ধিচুক্তির মাধ্যমে এ আইনের সৃষ্টি। চুক্তিবদ্ধ রাষ্ট্রগুলো এ আইন মেনে চলতে বাধ্য। তবে অনেকক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রমও দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় আইন থেকে আন্তর্জাতিক আইন চারিত্রিক দিক থেকে পৃথক; এ আইন জনগণের জন্য নয়, রাষ্ট্রের জন্য ঘোষিত। আন্তর্জাতিক আইন নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েকটি সংস্থা গঠিত হয়েছে এবং কয়েকটি ঘোষণা ও কনভেনশন ঘোষিত হয়েছে।

                                     

1. আন্তর্জাতিক আইনের উৎস

আন্তর্জাতিক আইনের উৎস দুই রকম: বস্তুগত ও অবস্তুগত। একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিতে সার্বভৌম রাষ্ট্রের সাধারণ সম্মতি সৃষ্টি হয়। এ সাধারণ সম্মতি আন্তর্জাতিক আইনের মূল ভিত্তি। রাষ্ট্রসমূহের এ সাধারণ সম্মতি আন্তর্জাতিক আইনকে বৈধতা দান করে। সুতরাং আন্তর্জাতিক আইন পালনের মূলসূত্র হিসেবে সাধারণ সম্মতিকে ধরে নিয়ে "জনগণের ইচ্ছা" যা রাষ্ট্রসমূহের সমন্বিত ইচ্ছা দ্বরা প্রতিফলিত হচ্ছে, তাকে আন্তর্জাতিক আইনের আনুষ্ঠানিক উৎস বলা হয়। আবার যেসব বিষয় বা বস্তু আন্তর্জাতিক আইনের উপস্থিতির সাক্ষ্য দেয় অর্থাৎ যে প্রকৃত উৎস থেকে আইন তার শক্তি আহরণ করে, তাকে বস্তুগত উৎস বলে। আন্তর্জাতিক চুক্তি, প্রথা, আন্তর্জাতিক আদালতের সিদ্ধান্ত বা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গৃহীত প্রস্তাবাবলী বস্তুগত উৎসের অন্তর্গত। আন্তর্জাতিক আইন মূলত প্রথাভিত্তিক আইনের একটি অন্যতম উৎস হিসেবে স্বীকৃত। প্রথাই আন্তর্জাতিক আইনের প্রাথমিক উৎস এবং অনেকাংশে প্রথাসমূহই ক্রমান্বয়ে চুক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। সাম্প্রতিককালে আন্তর্জাতিক আইনের উৎস হিসেবে ন্যায়পরায়ণতাকে বিবেচনায় আনা হয়।

আন্তর্জাতিক আইনের উৎস নির্ণয়ে আন্তর্জাতিক আদালতের সংবিধি ৩৮ ১ ধারা যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। এ ধারা অনুযায়ী বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আদালত যে আইন প্রয়োগ করবে তা হল:

  • বিভিন্ন বিধি-বিধান সৃষ্টিকারী আন্তর্জাতিক কনভেনশন বা চুক্তি যা বিরোধপক্ষসমূহ কর্তৃক স্বীকৃত;
  • বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান পণ্ডিত ব্যক্তিদের মতবাদ যা আইনের বিধান নির্ণয়ে সহায়ক ভূমিকা পালনে সক্ষম।
  • বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত; এবং
  • আন্তর্জাতিক প্রথা যা আইন হিসেবে সাধারণভাবে স্বীকৃত;
  • আইনের সাধারণ নীতিমালা যা সভ্য জাতিসমূহ কর্তৃক স্বীকৃত;

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে আন্তর্জাতিক আদালতের সংবিধি ধারা ৩৮-এর প্রথম অনুচ্ছেদে যে সমস্ত উৎসের কথা বলা হয়েছে সেগুলো মৌলিক এবং গুরুত্বের অণুক্রমিক অনুসারে সাজানো হয়েছে।

                                     

2. আন্তর্জাতিক আইনের বৈশিষ্ট্য

  • রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংগঠন এর বিষয়বস্তু।
  • পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদের সম্মতিতে এ আইন প্রণীত হয় এবং রাষ্ট্রসমূহের সম্মতিতে তার প্রতিফলন ঘটে।
  • রাষ্ট্রীয় আইনের মত আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণকারী কোন সংস্থা নেই। রাষ্ট্রসমূহকে স্থায়ী ব্যবস্থায় কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হয়। এ পদক্ষেপ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক পদক্ষেপ হতে পারে।
  • আন্তর্জাতিক আইন বিশ্বের সকল রাষ্ট্র ও সংগঠনের সম্পর্ক নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ করে।
                                     

3. আন্তর্জাতিক আইনের পরিধি

আন্তর্জাতিক আইনের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। আকাশসীমা, জলসীমা, স্থলসীমা এমনকি তার বাইরেও আন্তর্জাতিক আইনের বিচরণ রয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক আইনের পরিধি হল:

  • পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার ও রোধ।
  • আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থা।
  • আন্তর্জাতিক বিশেষায়িত সেবাসংস্থাসমূহ, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যগত ক্ষেত্রসমূহ।
  • গোষ্ঠীগত অধিকার, নারী ও শিশু অধিকার আদিবাসী অধিকার ইত্যাদি।
  • অর্থ,বাণিজ্য, কর ও শুল্ক সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী।
  • মানবাধিকার বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন।
  • রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের, রাষ্ট্রের সাথে আন্তর্জাতিক সংগঠন বা আন্তর্জাতিক সংগঠন ও রাষ্ট্র হতে ব্যক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র ও বিষয়ে।
  • রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সংগঠন ও ব্যক্তি।
  • আন্তর্জাতিক সাংবিধানিক আইন।
  • আন্তর্জাতিক নদী ও সমুদ্র এবং তার তলদেশের সম্পদ ব্যবস্থাপনা।
  • আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত অমান্যের প্রতিকার।
  • আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংকট, যুদ্ধ, দ্বন্দ্ব্ব নিরসন ও শান্তি।
  • আঞ্চলিক সংগঠনসমূহ, যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ন্যাটো ইত্যাদি।
  • আন্তর্জাতিক বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ও জ্ঞান-বিজ্ঞান।
  • বিরোধ মীমাংসায় আন্তর্জাতিক আদালত ও সালিশী আদালত।


                                     

4. বহিঃসংযোগ

  • Department of International Law, Graduate Institute of International and Development Studies, Geneva
  • International & Foreign Law Community
  • International law overview
  • Centre for International Law CIL, Singapore
  • United Nations Rule of Law, the United Nations centralised website on the rule of law.
  • UN International Law
                                     
  • আন তর জ ত ক অপর ধ ট র ইব ন ল আইন হল স ল প শ হওয একট আইন য র অধ ন ব ল দ শ র গণহত য য দ ধ পর ধ ও ম নবত ব র ধ অপর ধসহ আন তর জ ত ক আইন র
  • আন তর জ ত ক ম নব ক আইন হচ ছ স আইন য ট য দ ধ র আচরণব ধ ন য ন ত রণ কর এট হল আন তর জ ত ক আইন র একট শ খ য ট য দ ধ র উপ য এব পদ ধত সম হক স ম ত
  • সরক রক পর মর শ দ য অত পর আইন কম শন র স প র শ ব ব চন কর স ল প রণ ত আইনক য গ পয গ কর র জন য স ল র জ ল ই আন তর জ ত ক অপর ধ ট র ইব য ন ল র ক ছ
  • র ষ ট রসম হ র মধ য আইন ব র ধ ন ষ পত ত কর এব ব শ ব র ব ভ ন ন আন তর জ ত ক স স থ ক আইন ব ষয পর মর শ মত মত দ য এট ক স ক ষ প আইস জ ICJ বল হয
  • আন তর জ ত ক আইন র উৎস আইন স ষ ট র স থ সম পর ক ত এ আইন একদ ন গড উঠ ন ধ র ধ র কত পয উৎস র ওপর ভ ত ত কর এট গড উঠ ছ বহ বছর ধর ব চ র - ব শ ল ষণ
  • স রক ষণ করছ ক বলম ত র ত র ই এ আইন পর বর তন করত সক ষম ক র ক ট র সর ব চ চ ও ব শ ব ক পর চ লন পর ষদর প পর চ ত আন তর জ ত ক ক র ক ট ক উন স ল স দ ধ ন ত ন য র
  • দ ষ ট ন বদ ধ কর এই ঘ ষণ পত রট ন র মব র গ ব চ র র র য গ ল র একট আন তর জ ত ক আইন প রয গক র এট অন য জ ত র ব ষয হস তক ষ প কর র অধ ক রক সমর থন কর
  • দ ওয হয ছ ম র য ম - ওয স ট র হত ত ত য নত ন আন তর জ ত ক অভ ধ ন আইনট ক এইভ ব স জ ঞ য ত কর ন: আইন একট সম প রদ য র ব ধ যত ম লক র ত একট ন য ম ব
  • আন তর জ ত ক ইসল ম ব শ বব দ য লয চট টগ র ম স ক ষ প আইআইইউস ব ল দ শ র সরক র কর ত ক অন ম দ ত একট ব সরক র ব শ বব দ য লয এট র স থ য ক য ম প স স ত ক ন ড র
  • য মন, আন তর জ ত ক আইন য প রয গ কর হয এক র অধ ক দ শ ব জ ত র জন য, আন তর জ ত ক ভ ষ য ব যবহ ত হয প থ ব র সকলদ শ ম র ক ন ই র জ ত আন তর জ ত ক স ধ রণভ ব
  • পর ব শ আইন হল একধরন র আইন র ন ম য ট পর ব শ রক ষ র থ প রণয ন কর হয ছ প র ইত হ সজ ড ই পর ব শ র রক ষ র থ ও ম ন ষ র কল য ণ র জন য ন ন আইনগত পদক ষ প
  • আইন ব চ র ও স সদ ব ষয ক মন ত রণ লয গণপ রজ তন ত র ব ল দ শ সরক র র একট মন ত রণ লয ব ল দ শ সরক র র অন যতম এ স স থ ট আইন ব ষয ক ব ধ - ব ধ ন প রণয ন